নিউইয়র্ক : | বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশি-আমেরিকান আইনজীবী অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস এ আইনজীবী হিসেবে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেয়েছেন। এই অনুমোদনের মাধ্যমে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে মামলা দায়ের, আবেদন উপস্থাপন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে মক্কেলের পক্ষে আদালতে উপস্থিত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে তিনি এটিকে তাঁর পেশাজীবনের একটি গর্বের মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মঈন চৌধুরী লিখেছেন, “আমেরিকার সর্বোচ্চ আদালত Supreme Court of the United States-G Admitted Attorney at Law হিসেবে আমি গর্বিত।”
যুক্তরাষ্ট্রের আইনি ব্যবস্থায় সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে অনুমোদন পাওয়া একটি মর্যাদাপূর্ণ পেশাগত স্বীকৃতি। এ অনুমোদন পেতে একজন আইনজীবীকে সাধারণত অন্তত তিন বছর কোনো অঙ্গরাজ্যের সর্বোচ্চ আদালতের বারে সুনামের সঙ্গে আইন পেশায় থাকতে হয়। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে আগে থেকেই অনুমোদিত দুইজন আইনজীবীর সুপারিশ, নির্ধারিত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন এবং শপথ গ্রহণের মতো আনুষ্ঠানিক ধাপ অতিক্রম করতে হয়। অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী নিউইয়র্ক, মিশিগানে সহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির পরিচিত আইনজীবীদের একজন। অভিবাসন আইনসহ বিভিন্ন আইনি বিষয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সেবা দিয়ে আসছেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে তাঁর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মক্কেল রয়েছে এবং বিভিন্ন সামাজিক ও কমিউনিটি কার্যক্রমেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
তাঁর এই অর্জনের খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহকর্মী আইনজীবী, কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, শুভানুধ্যায়ী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। অনেকেই এটিকে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বাংলাদেশি আইনজীবীদের জন্য একটি অনুপ্রেরণাদায়ক অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বাংলদেশি কমিউনিটির নেতাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্তি একজন অ্যাটর্নির পেশাগত দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং সুনামের গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। যদিও দেশটির সর্বোচ্চ আদালতে প্রতিবছর তুলনামূলকভাবে অল্পসংখ্যক মামলার শুনানি হয়, তবুও সেখানে আইনজীবী হিসেবে অনুমোদন পাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের আইন পেশায় একটি সম্মানজনক অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়।
Posted ৮:০৪ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
Weekly Bangladesh | Weekly Bangladesh
(3095 বার পঠিত)
(2576 বার পঠিত)